রাতারগুলে ভিড়ের মধ্যে মুগ্ধতা, নৌকা ভাড়া নিয়ে অসন্তোষ
পবিত্র ঈদুল ফিতরের ছুটিতে সিলেটের জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র রাতারগুল সোয়াম্প ফরেস্টে পর্যটকের ঢল নেমেছে। পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে নৌকা ভ্রমণ করে বনভূমির প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করছেন দর্শনার্থীরা।
সোমবার (২৩ মার্চ) সরেজমিনে দেখা গেছে, গাছপালার ফাঁক দিয়ে দুপুরের রোদ পড়া, পাখির কিচিরমিচির এবং সবুজ ছায়ার মধ্যে নৌকায় ভেসে বেড়ানোর অভিজ্ঞতা পর্যটকদের মুগ্ধ করছে। বর্ষার সময় পানিতে ভরপুর বনটি শুকনো মৌসুমেও তার সৌন্দর্য হারায় না।
তবে ছুটির দিনে অতিরিক্ত ভিড় এবং নৌকা ভাড়া নিয়ে পর্যটকদের অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। অনেক পর্যটক অভিযোগ করেছেন, স্থানীয় নৌচালকেরা অতিরিক্ত ভাড়া নিচ্ছেন। পর্যটকরা বলছেন, সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা এবং কঠোর নজরদারি ছাড়া এই ইকোট্যুরিজম স্পটটিকে টিকিয়ে রাখা সম্ভব নয়।
ঢাকা থেকে আসা পর্যটক সাকিব হোসেন বলেন, “পরিবেশ অনন্য, তবে নৌকা ভাড়া কম হলে আরও ভালো লাগতো।”
সিলেট গ্যাস ফিল্ডের প্রকৌশলী মো. মিজানুর রহমান বলেন, “অন্যান্য পর্যটন কেন্দ্রের তুলনায় রাতারগুলের পরিবেশ ভিন্ন। শুকনো মৌসুমে হাঁটার জন্য বসার ব্যবস্থা এবং শৌচাগার থাকলে সুবিধা বৃদ্ধি পাবে।”
সিলেটের এমসি কলেজের শিক্ষার্থী রায়হান বলেন, “বর্ষায় অনেকবার এসেছি, কিন্তু এখন সবুজ ছায়ায় হাঁটার অভিজ্ঞতা ভিন্নরকম আনন্দ দিয়েছে। তবে রাস্তাঘাট উন্নত হলে আরও দর্শক আসতে পারবে।”
সিলেট জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম জানিয়েছেন, অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ প্রতিরোধে একাধিক ভ্রাম্যমাণ আদালত মাঠে রয়েছে এবং প্রমাণিত হলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তাহির আহমদ
মন্তব্য করুন: