মাধবপুরে জমি সংক্রান্ত বিরোধে প্রবাসীর স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা, সাক্ষী নিয়ে বিতর্ক
হবিগঞ্জের মাধবপুর পৌর শহরে জায়গা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে এক প্রবাসীর স্ত্রীসহ কয়েকজনের নামে দায়ের করা একটি মামলার সত্যতা ও সাক্ষী নিয়ে এলাকায় নানা গুঞ্জন ও প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।
জানা গেছে, মাধবপুর পৌর সভার ৯নং ওয়ার্ডের নোয়াগাঁও গ্রামের প্রাণেশ সরকার গত ৪ মার্চ হবিগঞ্জ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে প্রবাসী অরবিন্দু সরকারের স্ত্রী মমতা সরকারসহ তিনজনের নাম উল্লেখ করে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার বিবরণে জায়গা নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে মারধরের অভিযোগ আনা হলেও, মামলার সাক্ষী ও আসামিদের বক্তব্যে ভিন্ন তথ্য উঠে এসেছে। বিশেষ করে মামলার ৪নং সাক্ষী সুজন সরকার স্বীকার করেছেন যে, তিনি আদালতের এজাহারে বর্ণিত ঘটনার সময় উপস্থিত ছিলেন না, বরং পরবর্তীতে প্রাণেশকে হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিলেন।
মামলার প্রধান আসামি মন্টু সরকার দাবি করেছেন, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও সাবেক জনপ্রতিনিধিরা মিলে এই বিরোধের সমাধান করে দিলেও প্রাণেশ সরকার তা অমান্য করে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে এই মামলা করেছেন; ন্যায়বিচারের পক্ষে কথা বলায় তাকেও আসামি করা হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
ভুক্তভোগী মমতা সরকার নিজেকে একজন প্রবাসীর স্ত্রী ও নিরপরাধ নারী হিসেবে দাবি করে জানান, তাকে হয়রানি করতেই এই মিথ্যা মামলার আশ্রয় নেওয়া হয়েছে। তবে মামলার বাদী প্রাণেশ সরকার তার ওপর হামলার দাবি পুনর্ব্যক্ত করে জানিয়েছেন যে, তিনি হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন এবং প্রকৃত ঘটনার প্রেক্ষিতেই আদালতে অভিযোগ দায়ের করেছেন।
বর্তমানে বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
এ রহমান
মন্তব্য করুন: