৬০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ যুবলীগ নেতার বিরুদ্ধে
Led Bottom Ad

মাধবপুরে সরকারি বালু নিলামে

৬০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ যুবলীগ নেতার বিরুদ্ধে

নিজস্ব প্রতিনিধি, মাধবপুর

১৫/০৯/২০২৫ ১৬:২৫:২৪

প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করবেন না: ফাইজ তাইয়েব আহমেদ

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলা যুবলীগের নেতা এবং সাবেক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট মাহবুব আলীর চাচা হেলাল মিয়া ও স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) সাবেক উপজেলা প্রকৌশলী মো. শাহ আলমের বিরুদ্ধে জব্দকৃত বালু নিলামে বিক্রি করে ৬০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। এলজিইডি নিশ্চিত করেছে, প্রকৌশলী শাহ আলম অবসরে যাওয়ার সময় নিলাম-সংক্রান্ত কোনো নথি অফিসে জমা রাখেননি।


সূত্র জানায়, মাধবপুর উপজেলার সোনাই নদীর তীর থেকে অবৈধভাবে উত্তোলিত ১ লক্ষ ঘনফুট সিলিকা বালু স্থানীয় প্রশাসন জব্দ করে। ২০২৩ সালের ৩ জানুয়ারি হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসক বালু নিলামের অনুমোদন দেন। পরে ৯ মার্চ নিলাম কমিটির আহ্বায়ক হন প্রকৌশলী মো. শাহ আলম।

বারহাট্টায় নব-নিযুক্ত জেলা প্রশাসকের মতবিনিময়


বালুটি তিন ভাগে নিলামে তোলা হয়: শান্ত এন্টারপ্রাইজ ৯টি স্তূপ,মেসার্স পারভেজ চৌধুরী ১০টি স্তূপ, যুবলীগ নেতা হেলাল মিয়া ৮টি স্তূপ পান। শান্ত এন্টারপ্রাইজ ও পারভেজ চৌধুরী সম্পূর্ণ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দিয়ে কার্যাদেশ পান। কিন্তু হেলাল মিয়া ৮৩ লাখ ১২ হাজার ৫০০ টাকার মধ্যে মাত্র ২৩ লাখ টাকা জমা দেন। বাকি ৬০ লাখ ১২ হাজার ৫০০ টাকা পরিশোধ না করেও শাহ আলমের সহযোগিতায় বালু উত্তোলন ও বিক্রি করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।


স্থানীয়রা জানান, হেলাল মিয়া সাবেক প্রতিমন্ত্রীর চাচা পরিচয় ব্যবহার করে প্রভাব বিস্তার করতেন। ক্ষমতাসীন দলের ছায়া পেয়ে তিনি শুধু নিলামের বালুই নয়, ড্রেজার মেশিন বসিয়ে সোনাই নদী থেকে অতিরিক্ত বালু উত্তোলন ও বিক্রি করেছেন। প্রশাসনও তার প্রভাবের কারণে নীরব থেকেছে।


তথ্য অধিকার আইনে নিলামের নথি চাইলে বর্তমান উপজেলা প্রকৌশলী রেজা উন নবী লিখিতভাবে জানান, সাবেক প্রকৌশলী শাহ আলম নথি অফিসে জমা না রেখে ব্যক্তিগতভাবে হেফাজতে রেখেছিলেন। অবসরে যাওয়ার সময়ও সেগুলো ফেরত দেননি।


অবসরপ্রাপ্ত প্রকৌশলী শাহ আলম জানান, হেলাল মিয়া পুরো টাকা জমা দেননি, তাই কার্যাদেশ দেওয়া হয়নি। তার দাবি, বালু বিক্রি হয়ে থাকলে দায় উপজেলা প্রশাসনের।


বর্তমান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহিদ বিন কাসেম বলেন, "ঘটনার সময় আমি দায়িত্বে ছিলাম না। তবে খোঁজ নিয়ে দেখব।"


হেলাল মিয়ার মোবাইল নম্বরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও ফোনটি বন্ধ পাওয়া গেছে।


এ রহমান

মন্তব্য করুন:

Led Bottom Ad
Led Bottom Ad