দেড় যুগ পর দেশে ফিরল প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা
দীর্ঘ ১৮ বছর বা প্রায় দেড় যুগ পর নতুন আঙ্গিকে সারা দেশে একযোগে শুরু হয়েছে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা। সর্বশেষ ২০০৮ সালে অনুষ্ঠিত হওয়ার পর দীর্ঘ বিরতি শেষে আজ বুধবার (১৫ এপ্রিল) সকাল ১০টা থেকে পুনরায় সরাসরি মেধা যাচাইয়ের এই পদ্ধতিতে ফিরল প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। আজকের বাংলা বিষয়ের পরীক্ষার মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া এই কার্যক্রম চলবে আগামী ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত। সূচি অনুযায়ী আগামীকাল ১৬ এপ্রিল ইংরেজি, ১৭ এপ্রিল গণিত এবং ১৮ এপ্রিল বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় ও প্রাথমিক বিজ্ঞান পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে; তবে পাহাড়ি অঞ্চলের বৈচিত্র্যময় পরিস্থিতির বিবেচনায় রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান জেলায় পরীক্ষা শুরু হবে ১৭ এপ্রিল থেকে। নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, এবার ট্যালেন্টপুল ও সাধারণ—এই দুই ক্যাটাগরিতে মেধা তালিকার ৫০ শতাংশ করে ছাত্র ও ছাত্রীদের সমানুপাতিক হারে বৃত্তি দেওয়া হবে, যেখানে ৮০ শতাংশ কোটা সংরক্ষিত থাকছে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য। পরীক্ষা কেন্দ্রগুলোতে মোবাইল ফোন বা ইলেকট্রনিক ডিভাইস বহন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করার পাশাপাশি বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের জন্য অতিরিক্ত ৩০ মিনিট সময় বরাদ্দ রাখা হয়েছে। পরীক্ষা কক্ষে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং জালিয়াতি রোধে ১০টি বিশেষ নির্দেশনা ও কঠোর নীতিমালা জারি করেছে মন্ত্রণালয়। ২০০৯ সাল থেকে পিইসি পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে বৃত্তি প্রদান করা হলেও দীর্ঘ সময় পর আবারও সরাসরি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার এই পদ্ধতি চালু হওয়ায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে।
এ রহমান
মন্তব্য করুন: