মোদি-মমতার শেষ লড়াইয়ের আগে তমুল বাকযুদ্ধ
Led Bottom Ad

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন

মোদি-মমতার শেষ লড়াইয়ের আগে তমুল বাকযুদ্ধ

প্রথম ডেস্ক

২৬/০৪/২০২৬ ২২:৪৯:০১

প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করবেন না: ফাইজ তাইয়েব আহমেদ

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের শেষ ধাপের ভোটগ্রহণের আর মাত্র কয়েক দিন বাকি। আগামী ২৯ এপ্রিল রাজ্যের ১৪২টি আসনে এই অন্তিম পর্বের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। প্রচারণার শেষ সময় ২৭ এপ্রিল হওয়ায় হাতে থাকা মাত্র দুই দিনকে কাজে লাগাতে মরিয়া হয়ে মাঠে নেমেছে তৃণমূল কংগ্রেস, বিজেপি, কংগ্রেস ও বামপন্থি দলগুলো। রোববার (২৬ এপ্রিল) ছুটির দিনে হেভিওয়েট তারকা ও কেন্দ্রীয় নেতাদের উপস্থিতিতে প্রচারণার ময়দান হয়ে ওঠে উত্তপ্ত।

বিজেপি প্রার্থীদের সমর্থনে এদিন নির্বাচনী সভায় অংশ নেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁর জনসভা থেকে তৃণমূল সরকারকে তীব্র আক্রমণ করেন মোদি। তিনি অভিযোগ করেন, ‘মা মাটি মানুষ’ স্লোগান দিয়ে ক্ষমতায় এলেও তৃণমূল এখন সিন্ডিকেট আর অনুপ্রবেশকারীদের মদত দিচ্ছে। অনুপ্রবেশকারীদের হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, ২৯ এপ্রিলের আগে অবৈধ বাসিন্দারা দেশ না ছাড়লে ৪ মের পর তাদের তাড়িয়ে দেওয়া হবে। প্রথম দফার উচ্চ ভোটদানকে তৃণমূলের ‘অহংকার চূর্ণ’ হওয়ার লক্ষণ হিসেবে দাবি করে তিনি দ্বিতীয় দফায় বিজেপির সরকার গঠন নিশ্চিত বলে ঘোষণা দেন। এছাড়া বর্তমান প্রজন্মের ‘রিল’ ও মিউজিক ভিডিওর প্রশংসা করে তিনি সৃজনশীল তরুণদের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন।

পাল্টা জবাবে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভবানীপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় পাঁচটি কর্মসূচি পালন করেন। বরদান মার্কেটের সভা থেকে তিনি দাবি করেন, প্রথম দফাতেই তৃণমূল ‘সেঞ্চুরি’ পার করেছে। বিজেপি পরাজয়ের ভয়ে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ব্যবহার করে ‘গুন্ডাগিরি’ করছে বলে তিনি অভিযোগ তোলেন। মোদিকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, “আগে দিল্লি সামলান, তারপর বাংলার দিকে তাকান।” কাশ্মীরের নিরাপত্তা ব্যর্থতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি আরও বলেন, বিজেপি সরকার কেবল বেছে বেছে তৃণমূল কর্মীদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিচ্ছে। বাংলাকে ‘মিনি ইন্ডিয়া’ আখ্যা দিয়ে তিনি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান জানান।

এদিকে, প্রচারণাকে কেন্দ্র করে রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে সহিংসতার খবর পাওয়া গেছে। হাওড়ার লিলুয়ায় বিজেপি সাংসদ রবি কিষাণের রোড শো চলাকালে তৃণমূল ও বিজেপি কর্মীদের মধ্যে স্লোগানযুদ্ধ থেকে সংঘর্ষ শুরু হয়। লাঠি ও বাঁশ নিয়ে হামলার ঘটনায় চারজন আহত হলে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী লাঠিচার্জ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। শেষ মুহূর্তের এই প্রচারণায় তারকা ও রাজনৈতিক নেতাদের পাল্টাপাল্টি বক্তব্যে সরগরম হয়ে উঠেছে ওপার বাংলার রাজনীতির মাঠ।


এ রহমান

মন্তব্য করুন:

Led Bottom Ad
Led Bottom Ad