মাধবপুরে আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে ১১শ কেজির ‘পুষ্পা’
Led Bottom Ad

কোরবানির পশুর বাজার

মাধবপুরে আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে ১১শ কেজির ‘পুষ্পা’

প্রথম ডেস্ক

২২/০৫/২০২৬ ১২:০৩:৫১

প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করবেন না: ফাইজ তাইয়েব আহমেদ

 পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে হবিগঞ্জের মাধবপুরে কোরবানির পশুর বাজারে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে বিশালাকৃতির এক দেশি ষাঁড়, যার নাম রাখা হয়েছে ‘পুষ্পা’। প্রায় ১ হাজার ১০০ কেজি ওজনের এই কালো রঙের দানবীয় ষাঁড়টি দেখতে প্রতিদিনই উপজেলার আন্দিউড়া এলাকার ‘পিওর অ্যান্ড অর্গানিক ডেইরি ফার্ম’-এ ভিড় করছেন দূর-দূরান্ত থেকে আসা বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ও সম্ভাব্য ক্রেতারা। খামারের মালিক মুত্তাকিম চৌধুরী জানান, প্রায় তিন বছর ধরে সম্পূর্ণ ক্ষতিকর রাসায়নিকমুক্ত, দেশীয় খাবার ও প্রাকৃতিক উপায়ে ‘পুষ্পা’কে লালন-পালন করা হয়েছে এবং প্রতিদিন সকাল-বিকেল তিনি নিজে ষাঁড়টির পরিচর্যা করেন। সবুজ ঘাস, খড়, ভুট্টা, গমের ভুষি ও দানাদার খাবার খাইয়ে বড় করা ১ হাজার ১০০ কেজি ওজনের এই ষাঁড়টি খামার থেকেই সরাসরি বিক্রির চেষ্টা চলছে এবং কাঙ্ক্ষিত দাম না মিললে কয়েক দিনের মধ্যে এটিকে পশুর হাটে তোলা হবে; খামারি এর দাম হাঁকছেন ১০ লাখ টাকা। উল্লেখ্য, শুধু ‘পুষ্পা’ই নয়, মুত্তাকিম চৌধুরীর এই বিশাল খামারে বর্তমানে প্রায় ৩২০টি বিভিন্ন জাতের গবাদিপশু রয়েছে এবং খামারটিতে নিয়মিত কাজ করছেন ২৫ জন শ্রমিক। মাধবপুর উপজেলা সহকারী প্রাণিসম্পদ সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ডা. মাজহারুল ইসলাম জানান, ‘পুষ্পা’ মূলত মাধবপুর প্রাণিসম্পদ হাসপাতালের কৃত্রিম প্রজননের মাধ্যমে জন্ম নেওয়া একটি উন্নত জাতের দেশি ষাঁড় যা সম্পূর্ণ দেশীয় খাবারে বড় হয়েছে এবং প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর খামারিদের নিয়মিত প্রযুক্তিগত ও চিকিৎসাসেবা দিয়ে সহযোগিতা করে আসছে। উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মিঠুন সরকার উল্লেখ করেন, আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে মাধবপুর উপজেলায় বিভিন্ন খামার ও প্রায় ৯০০ পরিবারের মাধ্যমে এবার প্রায় ১৫ হাজার কোরবানির পশু প্রস্তুত করা হয়েছে; খামারি মুত্তাকিম চৌধুরী অত্যন্ত যত্ন নিয়ে নিজস্ব ফর্মুলায় তৈরি খাবার ব্যবহার করায় তার খামারের পশুর প্রতি ক্রেতাদের আলাদা আস্থা ও ব্যাপক চাহিদা তৈরি হয়েছে।


এ রহমান

মন্তব্য করুন:

Led Bottom Ad
Led Bottom Ad