সিলেটে চাকুসহ ৭ ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার
Led Bottom Ad

কাষ্টঘর ও ধোপাদিঘির পাড়ে অভিযান

সিলেটে চাকুসহ ৭ ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার

প্রথম সিলেট প্রতিবেদন

২৩/০৫/২০২৬ ২০:৫০:৫৫

প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করবেন না: ফাইজ তাইয়েব আহমেদ

সিলেট মহানগরীর কাষ্টঘর ও ধোপাদিঘির পাড় এলাকায় পৃথক দুটি সফল অভিযান পরিচালনা করে দেশীয় অস্ত্রসহ আন্তঃজেলা ছিনতাইকারী চক্রের সাতজন সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ; এ সময় তাদের হেফাজত থেকে ছিনতাইয়ের কাজে ব্যবহৃত কয়েকটি ধারালো চাকু উদ্ধার করা হয়। শনিবার (২৩ মে) বিকেলে ও সন্ধ্যায় সিলেট মহানগর পুলিশের (এসএমপি) গণমাধ্যম শাখা থেকে পাঠানো পৃথক দুটি সরকারি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে ছিনতাইকারীদের গ্রেপ্তারের এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (গণমাধ্যম) মো. মনজুরুল আলম জানান, গত শুক্রবার বিকেলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশ প্রথম অভিযানটি পরিচালনা করে নগরের মহাজনপট্টি কাষ্টঘর এলাকায়; এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ছিনতাইকারী চক্রের সদস্যরা দিকবিদিক পালানোর চেষ্টা করলে পুলিশ ধাওয়া করে একটি চাকুসহ তিনজনকে হাতেনাতে আটক করে। গ্রেপ্তারকৃত এই তিন ছিনতাইকারী হলেন— সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার বাসিন্দা মির্জা ছাব্বির (৪৫), বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার হাসান (২৯) এবং সিলেটের দক্ষিণ সুরমা এলাকার মো. জাহেদ আহমদ (৩৫)। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃতরা স্বীকার করেছে যে, তারা দীর্ঘদিন যাবৎ সংঘবদ্ধভাবে সিলেট মহানগরীর বিভিন্ন জনাকীর্ণ ও নির্জন সড়কে ধারালো অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে সাধারণ পথচারীদের নিকট হতে নগদ টাকা, দামি মোবাইল ফোন ও মূল্যবান মালামাল ছিনতাই করে আসছিল। এর আগে অপর এক বিজ্ঞপ্তিতে পুলিশ জানায়, গত শুক্রবার দুপুর সাড়ে ৩টার দিকে কোতোয়ালী থানা পুলিশের আরেকটি চৌকস দল ধোপাদিঘির পাড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে দুটি ধারালো চাকুসহ আরও চারজন পেশাদার ছিনতাইকারীকে গ্রেপ্তার করে; গ্রেপ্তারকৃত এই চারজন হলেন— কোতোয়ালী থানার সওদাগরটুলা এলাকার মো. সাজা মিয়া (৩২), সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার পলিগ্রামের বাসিন্দা ও বর্তমানে নগরীর আখালিয়া নয়াবাজারের ভাড়াটিয়া সফর আলী (২৫), শরীয়তপুর জেলার নড়িয়া থানার রুবেল মালত (৩৫) এবং কোতোয়ালী থানার মাছিমপুর এলাকার মো. মোশাররফ হোসেন (৩৬)। পুলিশের দাবি, ধোপাদিঘির পাড় থেকে গ্রেপ্তারকৃত এই আসামিরাও মূলত আন্তঃজেলা ছিনতাইকারী চক্রের সক্রিয় সদস্য এবং তারা দীর্ঘদিন ধরে নগরের বিভিন্ন স্থানে মোবাইল ও নগদ টাকা লুটের সঙ্গে জড়িত ছিল। সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মো. মনজুরুল আলম নিশ্চিত করেছেন যে, পৃথক এই দুটি ছিনতাই ও অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় কোতোয়ালী মডেল থানায় সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরের পর গ্রেপ্তারকৃত সাত ছিনতাইকারীকেই যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে এবং নগরবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশের এই ধরনের অপরাধবিরোধী অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।


এ রহমান

মন্তব্য করুন:

Led Bottom Ad
Led Bottom Ad