না ফেরার দেশে কিংবদন্তি সংগীত শিল্পী আশা ভোঁসলে
Led Bottom Ad

সংগীত সাম্রাজ্যের নক্ষত্রপতন

না ফেরার দেশে কিংবদন্তি সংগীত শিল্পী আশা ভোঁসলে

প্রথম ডেস্ক

১২/০৪/২০২৬ ১৬:৩৫:০৭

প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করবেন না: ফাইজ তাইয়েব আহমেদ

ভারতীয় সংগীত জগতের অন্যতম উজ্জ্বল নক্ষত্র, কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী আশা ভোঁসলে আর নেই। রোববার (১২ এপ্রিল) মুম্বাইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯২ বছর। তাঁর প্রয়াণে বিশ্বসংগীত অঙ্গনে এক শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণ ও শারীরিক দুর্বলতাজনিত কারণে তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। তাঁর নাতনি জানাই ভোঁসলে ভারতীয় সংবাদ সংস্থা পিটিআই-কে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। আট দশকের দীর্ঘ কর্মজীবনে হাজার হাজার কালজয়ী গান উপহার দেওয়া এই শিল্পী আধুনিক ও ধ্রুপদী উভয় ধারার গানেই ছিলেন অপ্রতিদ্বন্দ্বী। হিন্দি চলচ্চিত্রের ইতিহাসে তাঁকে অন্যতম প্রভাবশালী এবং বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী শিল্পী হিসেবে গণ্য করা হয়।

১৯৩৫ সালের ৮ সেপ্টেম্বর মহারাষ্ট্রের সাংলিতে এক সংগীত পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন আশা। বাবা পণ্ডিত দীনানাথ মঙ্গেশকরের কাছেই তাঁর সংগীতে হাতেখড়ি। কিংবদন্তি লতা মঙ্গেশকরসহ তাঁর অন্য ভাই-বোনেরাও সংগীতের মাধ্যমেই বিশ্বজুড়ে পরিচিতি লাভ করেন। ১৯৪৮ সালে ‘চুনরিয়া’ সিনেমার মাধ্যমে প্লেব্যাকে অভিষেক হওয়া আশা ভোঁসলে দ্রুতই তাঁর কণ্ঠের জাদু দিয়ে কোটি মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নেন।

সংগীতে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি অসংখ্য পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। ভারত সরকার তাঁকে সর্বোচ্চ সম্মাননা 'পদ্মবিভূষণ' (২০০৮) এবং দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কারে (২০০০) ভূষিত করে। এছাড়া ৯টি ফিল্মফেয়ার অ্যাওয়ার্ড, দুটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারসহ দেশি-বিদেশি অজস্র সম্মানে তিনি সিক্ত হয়েছেন। এমনকি দুবার গ্র্যামি পুরস্কারের জন্যও মনোনীত হয়েছিলেন এই গুণী শিল্পী। তাঁর মৃত্যুতে সংগীতের একটি সোনালী অধ্যায়ের পরিসমাপ্তি ঘটল।


এ রহমান

মন্তব্য করুন:

Led Bottom Ad
Led Bottom Ad
Led Bottom Ad